শরীরের হাড় ভেঙেছে কিন্তু ভাঙেনি নিজের প্রতি মনোবল ও আত্তবিশ্বাস।Bd success story

 যখন তিনি ১০ম শ্রেণিতে পড়ে তখন তার সাথে এমন একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে যাতে তার বাচার আসঙ্কা থাকেনা বললেই চলে।রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় একটি গাড়ি প্রচন্ড জুরে এসে আঘাত করে। এতে করে তার শরীরের প্রত্যেকটি হাড় চুর্ণ বিচুর্ণ হয়ে যায়।তারপর আর কি...

Bd success story

মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেটির বাবা ছিল একজন কৃষক এবং মা ছিল একজন সেবিকা। ছোটবেলায় তার বাবা মারা যাই এবং তার মার সামাণ্য আয়ের টাকায় তাদের সংসার চলে।ত দুর্ঘটনার পর যখন তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় তখন ডাক্তার তার মাকে স্পষ্ট করে বলে দেই যে এই ছেলেটি কখনো আর দারাতে পারবেনা সারাজীবন হুইলচেয়ারে বসেই কাটাতে হবে ও সারাজীবন পরিবারের বোঝা হয়ে থাকতে হবে।দীর্ঘ তিন মাস হাসপাতালে থাকার পর যখন বাড়ি ফিরে আসে তখন তার বন্ধুবান্ধব ও প্রতিবেশিরা তাকে দেকতে আসে আর তার তার মাকে এটা বলে শান্তনা দেই যে এটা তোমার ছেলের ভাগ্যে ছিল তাই এইরকম হয়েছে।তাই দুঃখ বা কান্না কাটি করে কিছুই  লাভ নাই। বাকি জীবনটা এভাবেই হুইল চেয়ারে বসে কাটাতে হবে।ইতিমধ্যে ছেলেটির যেই যাইগায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল যেই যাইগার সিসিটিভি ক্যামেরা বিডিওটি দেখা গিয়েছিল এবং সোসাল মিডিওয়াই অনেক ভাইরাল হয়েছিল।এরকম ভায়াভহ দুর্ঘটনাটি দেখে এবং তাদের আর্থিক অবস্থার কথা অনেকেই জানতে পেরে তাদের সাহায্য করতে চাইলে তারা না করে দেই।আর ছেলেটি বলে যে আমার ভাগ্য এইটা ছিল বলে আমি আমার নিজের প্রতি আত্তবিশ্বাস ভেঙে যাইনি যে আমি কোনো কিছু করে খেতে পারব না।আর দরকার হলে না খেয়ে মরে যাব তবুও কারো কাছ থেকে কোনো আর্থিক সাহায্য নিব না।


দিনদিন ছেলেটির পরিবার এর অবস্থা খুব খারাপ হতে থাকে কারণ তাদের পরিবারের মাসিক আয় ছিল ৩০০০০ টাকা আর ছেলেটির চিকিংসা জন্য মাসিক খরচ হতো ২৭০০০ টাকা। আর মাত্র ৩০০০ হাজার টাকায় তাদের পুরো সংসার চালানো তার মায়ের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে উঠে।মায়ের সপ্ন ছিল ছেলেটি বড় হয়ে ডাক্তার বা বড় কোনো সরকারি চাকরি করবে।কিন্তু বাস্তবে ছেলেটি সমাজের বুঝা হয়ে দাড়াল। এমন অবস্থায় ও ছেলেটির নিজের প্রতি দৃর আত্তবিশ্বাস ছিল। ত যেই কথা সেই কাজ...


যখন থেকে সে বুঝতে পারল যে তাকে সমাজের বুঝা মনে করা হয় তখন থেকে তার মনে একটাই চিন্তা ছিল যে তার মতো সমাজের বুঝা লোকদের জন্য কিছু করবে।যেইকথা সেই কাজ ১ বছরের মধ্যে শিখে ফেলল Android app development +web development. সে এরকম একটি এপ তৈরি করে ফেলল যে যেইটা থেকে youtube এর মতো বিডিও আপলোড ও  এবং কোনো কিছু পোস্ট করে  টাকা আয় করা যায়।কিন্তু video ও post এর ক্যাটাগরি ছিল শুধু অসহায় বা প্রতিবন্ধী মানুষের বিভিন্ন সমস্য ও কষ্টের বিষয়। ১ বছরের মধ্যে এপটির ব্যবহারের সংখ্যা ১০ মিলিওন হয়ে যায়। ও তার ও দিন দিন ভালো আয় হয়।যত টাকা আয় হতো মাসে। সেই টাকার পুরোটা সে মার্কেটিং এর কাজে লাগিয়ে দিত।এভাবে ৫ বছরের মাঝে তার এপটি এতই জনপ্রিয় হয়ে উঠে যে তার এপটি এখন ৩ বিলিওন ডাওনলোড ও ১ বিলিওন  ব্যবহার কারী হয়ে উঠে। এবং বিশ্বের বড় বড় কম্পানি তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়।


এখন তার কম্পানিতে ১০০০ ডেভোলপার ও ৫০০০ এর অধিক লোক কাজ করে।আর তার মোট আয় হয় এই পর্যন্ত ২৩ বিলিওন ডলার।

success story                 success story  bangla              bangla  success story

ত এতক্ষণ শুনলেন শুণ্য থেকে একজন বিলিওনার হবার গল্প।এখানে আপনাদের শুধু একটা মেসেজ দেবার ছিল যে.... আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এইরকম যে যারা শারিরীকভাবে দুর্বল বা মধ্যবিত্ত বা বেকার ইত্যাদি এদেরকে সমাজের বুঝা মনে করা হয়।এবং ভাবা হয় যে এদের দ্বারা কোনো কিছুই করা সম্ভব নয়। ত এইরকম মন মানসিকতা দুর করুন এবং যেই কাজই করছেন না কেন সেই কাজে মনযোগ ও নিজের প্রতি আত্তবিশ্বাস রেখে সেই কাজটি করোন দেকবেন একদিন সফলতা আপনার কাছে ধরা দিবে।

Post a Comment

0 Comments