নিজে ভিডিও না বানিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা আয় - আপডেট তথ্য ২০২২

হ্যালো বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সকলেই ভাল আছেন।  আজকের আর্টিকেলে দেখানো হবে কিভাবে আপনি নিজে ভিডিও না বানিয়ে ইউটিউব থেকে মাসে 50 হাজার টাকার অধিক আয় করতে পারবেন। তো আজকে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার সম্পূর্ণ নতুন এবং আপডেট একটি মেথড নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ইউটিউব থেকে টাকা আয় 2022

আমরা সকলেই জানি, ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে গেলে মনিটাইজেশন পেতে হয়। তার জন্য চ্যানেলে 1000 সাবস্ক্রাইবার এবং 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম এক বছরের ভিতর কমপ্লিট করতে হয়। তবে আজকে আপনি সম্পূর্ণ নতুন একটা বিষয় জানতে চলেছেন।

নিজে ভিডিও না বানিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা আয় ২০২২

কিছুদিন আগে ইউটিউবে নতুন একটি আপডেট এসেছে যার নাম ( YouTube shorts) । আপনি হয়তো খেয়াল করে দেখবেন ইউটিউব shorts ভিডিও গুলোতে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ হয়। মানে ইউটিউব Shorts ভিডিওগুলো মানুষ অনেক উপভোগ করে। তো এই বিষয়টি কাজে লাগিয়ে আপনি ইউটিউব থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। যা অন্যান্য দেশের ইউটিউবাররা করে আসছে। ত এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করছিঃ

প্রথমে আপনাকে ইউটিউব একটি নতুন চ্যানেল তৈরি করে সম্পূর্ণ কাস্টমাইজ করে নিতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা থেকে শুরু করে কাস্টমাইজ সহ সকল কিছু নিয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে। আপনি চাইলে সেগুলো পড়ে আসতে পারেন।

ভিডিও কোথায় পাবো

চ্যানেল তৈরি এবং কাস্টমাইজ করা সম্পূর্ণ হয়ে গেলে আপনি ইউটিউবে চলে যাবেন। তারপর যেই বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাতে চান সেই keyword লিখে ইউটিউবে সার্চ করবেন। 

নিজে ভিডিও না বানিয়ে ইউটিউব থেকে কিভাবে আয় করার উপায়

উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেস্টা করছি: আমি ( baby car for kids) নিয়ে ভিডিও বানাবেন। ত এই কিওয়ার্ডটি লিখে ইউটিউব এ সার্চ করব। তারপর filter অপশন এ ক্লিক করে ( creative commons)  সিলেক্ট করে দেব। 

এখন যতগুলো ভিডিও আমার সামনের শো করবে প্রত্যেকটা ভিডিও ক্রিয়েটিভ কমন্স এর আন্ডারে লাইসে'ন্স করা। মানে এই ভিডিওগুলো ইউটিউব বা যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করলে কোন কপিরাইট আসবেনা। তারপর যেকোনো একটি ভিডিও সেইভ করে নিব।

ভিডিও এডিট 

ভিডিওটি আমরা যেকোন ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে এডিট করে short আকারে তৈরি করে নেব। আর ভিডিও যদি horizontal থাকে তাহলে অবস্যই vertical করে নিবেন। মানে টিকটক  ভিডিও যেরকম ভাবে এডিট করতে হয় সেরকম এডিট করে নিবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং 

আমাদের ভিডিও এডিটিং কমপ্লিট। এখন যেভাবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করতে হয় ঠিক সে ভাবে ভিডিও আপলোড করব। মানে ভিডিও টাইটেল, ডেসক্রিপশন, টেক ইত্যাদি বসাবো। আর টাইটেল লিখে দেবো ( #shorts)।

Amazon Affiliate: তারপর আমি অ্যামাজন অথবা যেকোনো এফিলিয়েট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিব ‌। ধরুন , আমি Amazon এফিলিয়েট ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিলাম। তারপর আমি যেই বিষয় নিয়ে ভিডিও আপলোড করেছি সেই বিষয়ক বা ক্যাটাগরির প্রোডাক্ট অ্যামাজন থেকে খুঁজে বের করব এবং আমার এফিলিয়েট লিংক ভিডিও ডেসক্রিপশন বক্সে পেস্ট করে দিব। এতে করে যাদেরই ভিডিওটির প্রোডাক্টটি ভালো লাগবে তাদের মধ্যে অনেকেই আমার লিংকে ক্লিক করে  প্রোডাক্টটি ক্রয় করতে পারে।

ধরলাম, আমার ভিডিও এক লক্ষ মানুষ দেখেছে। তাদের মধ্যেও যদি 50 জন মানুষ আমার এফিলিয়েট লিংক থেকে প্রোডাক্ট কয় করল। আর প্রোডাক্টের মূল্য ছিল 50 ডলার। তাহলে আমি কমিশন পাবেন 20 পার্সেন্ট করে।এতে করে প্রতি প্রোডাক্ট বিক্রিতে 10 ডলার করে কমিশন পাবেন। তাহলেই বোঝেন কেমন ইনকাম হবে। আর shorts ভিডিও কিন্তু মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়ে যায়।

এভাবে আপনি মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। তবে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিয়মিত shorts কন্টেন্ট আপলোড করে যেতে হবে। নিয়মিত কন্টেন্ট আপলোড করলে আপনার ভিডিওগুলোতে আস্তে আস্তে ভিও আসা শুরু করবে। তারপর থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার এটিই সবচেয়ে সেরা এবং কার্যকরী পদ্বতি। তবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় আপনি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, তা হচ্ছে:

• সব সময় প্রডাক্ট রিলেটেড ভিডিও আপলোড করবেন

• তারপর ভালো ভালো প্রোডাক্ট অ্যামাজন থেকে বাছাই করবেন। কারণ প্রোডাক্টটি যদি ভালো না হয় তাহলে কেউ কিনতে চাইবে না।প্রডাক্ট বাছায় করার ক্ষেত্রে প্রোডাক্টির রিভিও পড়ে নিবেন।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post